প্রিন্সের প্রতিশোধ - পর্ব-১০ | Prinve Revenge - Episode-10


গল্প | #প্রিন্সের_প্রতিশোধ ( #Prince_Revenge)

পর্ব | ১০

লেখক | #রাকিব_হাসান_রাজ

আমি কাপড় সরাতেই অবাক কারন

দেওয়ালে ফিরোজ, এজে, জসিম এবং রক্তিম এর ছবি + তাদের বিভিন্ন ইনফোরমেশন এটেস্ট করা আছে।



ফিরোজ আর জসিমের ছবিতে ক্রশ চিহ্ন দেওয়া আছে।


#প্রিন্সের_প্রতিশোধ_পর্ব-১০
#prince_revenge_episode_10
#bangla_story_143



জসিমকে তো আমি মেরেছি তাহলে জসিমকে জান্নাত মেম মেরেছে নাকি? 



না আমি আর কিছু বুঝতে পারছিনা।



এসব ভাবতে ভাবতে বিছানার পাশে একটি ছবির দিকে আমার নজর যায়।



এ আমি কি দেখছি? এটা কি সত্যিই সম্ভব? 



এই ছবি দেখে আমার চোখ থেকে পানি পরছে।



এমন সময় পিছন থেকে কেউ ডাক দিল।



জান্নাতের মা: এই কি আপনি হুট করে আমার মেয়ের রুমে ঢুকে গেলেন কেন, আপনাকে তো আমার সুবিধার মনে হচ্ছেনা।



আমি : আগে বলেন এইসবের কি মানে, দেওয়ালে এই ছবি আবার বিছানায় এই ছবি?



জান্নাতের মা : তা আমি আপনাকে কেন বলতে যাব আর আপনি আমার মেয়ের পার্সোনাল বিষয়ে কেন ইন্টারফেয়ারেন্স করছেন?

#প্রিন্সের_প্রতিশোধ_পর্ব-১০
#prince_revenge_episode_10
#bangla_story_143


আমি : আমাকে সব জানতে হবে??



জান্নাতের মা : কেন আপনি কে যে আপনাকে সব জানতে হবে?



আমি : তাহলে শুনুন,,,


[সিক্রেট কথা পরে সব জানতে পারবেন]



জান্নাতের মা : আমি বিশ্বাস করতে পারছিনা তুমিই সে যার অপেক্ষা আমার মেয়ে এতদিন থেকে করছে?



আমি : আমি আপনার কথা বুঝতে পারছিনা।



জান্নাতের মা : তাহলে শুন।


[আবার সিক্রেট কথা গল্পের সাথে থাকলে সব জানতে পারবেন]



আমি : আমি বিশ্বাস করতে পারছিনা এত কিছু হয়ে গেল, আমি আর সময় নষ্ট করবনা। আমার এখন অনেক কাজ আছে।



আমি আর সময় নষ্ট না করে দ্রুত সেখান থেকে হোটেলের উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে গেলাম।



রিচি : কি হলো ভাইয়া আজকে অফিস থেকে এত তাড়াতাড়ি এসে গেলে?



আমি : অফিসে যদি যেতাম তাহলে কি তাড়াতাড়ি আসতাম।



রিচি : তাহলে তুমি কোথায় গিয়েছিলে?



আমি : তুই আগে বল আজকে কলেজে কিছু হয়েছিল মানে তোর আর রাহুলের মধ্যে?

#প্রিন্সের_প্রতিশোধ_পর্ব-১০
#prince_revenge_episode_10
#bangla_story_143


রিচি : মানে তুমি সব কিছু জান?



আমি : সব না এখন তুই বললে সব জানতে পারব।



রিচি : আসলে রাহুল আমাকে প্রপোজ করেছে।



আমি : তুই কি করলি?



রিচি : আমি প্রথমে ভাবলাম কি করব, যেহেতু আমি রাহুল কে আগে থেকে পছন্দ করতাম তাই আমি রাজি হয়ে যাই (কিছু টা লজ্জা পেয়ে)



আমি : হইছে আর লজ্জা পেতে হবেনা এখন মনোযোগ দিয়ে শোন আমি একটা কথা বলব।



রিচি : কি কথা ভাইয়া?



আমি : [সিক্রেট কথা]


রিচি : সত্যি ভাইয়া কি বলছ এসব?


আমাকে কবে তার সাথে দেখা করাবে?



আমি : একটু তো অপেক্ষা করতে হবে কারন তাকে সব কিছু বলতে হবে, জানাতে হবে তারপর একসাথে বাকি ২জনকে কোম্পানি থেকে সরাতে হবে তারপর কোম্পানির মালিক হতে হবে লিগ্যালি ভাবে।



রিচি : কবে করবে?



আমি : ০২ দিন পর।



রিচি : ০২ দিন পর কেন?



আমি : কারন ০২ দিন পর তার জন্মদিন।



রিচি : রিয়্যালি?



আমি : হুম।



২দিন পর আমার এতদিনের সাধনা  পূর্ণ হবে। আমাকে অনেক কাজ করতে হবে।

#প্রিন্সের_প্রতিশোধ_পর্ব-১০
#prince_revenge_episode_10
#bangla_story_143


২ দিন পর,


এই ২দিন অফিসে যাওয়া হয়নি কারন আমাকে এই ২দিনে অনেক কাজ করতে হয়েছে।


রাতে জান্নাত মেম এর বাসায়, (ওহহহ এখন আর জান্নাত মেম বলা যাবেনা কারন পরে জানতে পারবেন)

অফিস শেষে জান্নাত বাসায় আসল।


জান্নাত : একি সারা বাসা অন্ধকার কেন? আম্মু কোথায় তুমি?


কি হল কেউ সারা দিচ্ছেনা কেন?

বাড়িতে কি কেউ নেই নাকি?



তখনই একটি সাউন্ড জান্নাতের কানে বাজতে লাগল,



" Happy Birthday My Dear Doll 



আমার গুড়িয়ার জন্য হাজারো গোলাপের শুভেচ্ছা। তোমার সারাজীবনের স্বপ্ন পূরণ হক।



শুভ জন্মদিন আমার রাজকুমারী 💐💐💐💐


" Be The Princes To Your Prince "👑👑



জান্নাতের মনে খটকা লাগল কে এই গান গাচ্ছে?



এই গান তো অনেক আগে একজন তার প্রিয় মানুষ গান গাইত।



জান্নাত : কে আপনি আর এই গান আপনি কিভাবে জানলেন, আজকে যে আমার জন্মদিন আপনি কিভাবে জানলেন আর আমার আম্মু কোথায়?



চেনা এক কন্ঠ : সব কিছু এত তাড়াতাড়ি জানলে কিভাবে চলবে মাই প্রিন্সেস?



জান্নাত : আপনি কে? আর আমার সামনে আসেন এখনই।



সেই কন্ঠ : আমি তো এতদিন তোমার সামনেই ছিলাম তুমিই তো আমাকে চিনলেনা আর আমিও চিনিনাই।



জান্নাত : আপনি কি বলছেন আমার মাথায় কিছু ঢুকছেনা?



তখনই রুমের সব লাইট অন হয়ে গেল। 

জান্নাত সামনে তাকাতাই অবাক কারন তার সামনে বার্থডে কেক আর তার সামনে একটি বড় ছবির ফ্রেম আর তার সামনে দেওয়ালে বড় করে লেখা আছে,

#প্রিন্সের_প্রতিশোধ_পর্ব-১০
#prince_revenge_episode_10
#bangla_story_143


" হ্যাপি বার্থডে মাই প্রিন্সেস অহনা "



অহনা নাম দেখে জান্নাত ভয় পেয়ে যায়, কারন এত বছর ধরে সে  এই পরিচয় কে লুকিয়ে রেখেছে আজ এত বছর পর কেউ তাকে এই নামে ডাকল।



আবার সেই চেনা কন্ঠ : পিছনে তাকাও মাই প্রিন্সেস।



জান্নাত পিছনে তাকাল। পিছনে তাকিয়ে দেখল একটা লোক মাস্ক পড়ে দাঁড়িয়ে আছে।



জান্নাত : কে আপনি আর আপনি কিভাবে আমার আসল নাম জানলেন? আপনি আপনার মাস্ক খুলেন।



সেই লোক অহনার সামনে হাটু গেড়ে বসে,



সেই লোক : নিজের হাতে খুলে নেও।



অহনা নিজের হাতে মাস্ক খুলতে লাগল।



মাস্ক খুলতেই অহনা অবাক




চলবে,,,,,,,

No comments

Powered by Blogger.