গল্প | নীল চুড়ির ভালোবাসা - পর্ব-০১
লেখক | মমিনুল ইসলাম নীল।

শীতের সকালে সূর্য উঠা মানে মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি।শীতকাল এমন একটি সময় যেই সময় সূর্য আলো দিতেও ভয় পায়।
কারণ সূর্য জানে, আলো দিয়ে লাভ নাই, আকাশের মেঘ তাকে ঢেঁকে দিবে।
এমনেই শীতের কাঁপুনির ঠেলায় কম্বলের নিচে থাইকা উঠতে মন চাই না তার মধ্যে যদি আবার ফোনটা চিল্লাচিল্লি করে, তাইলে মেজাজটা যে কেমন হয়..একমাত্র আমি আর আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না।
#নীল_চুড়ির_ভালোবাসা_পর্ব_০১
#nil_chorir_valobasha_part_01
ধুর.....আপনেগো লগে কথা কইতে যাইগা ফোন চিল্লানো বন্ধ কইরা দিলো..ভালোই হইলো এহন শান্তি মতো ঘুমামু।আননেরা আবার ডিস্টার্ব কইরেন না।
থাক আর দুষ্টুমি না করি এখন ফোনটা রিসিভ করি...ফোনটা রিসিভ করতেই,
রিয়া-ওই বজ্জাত কই তুই? (রিয়া আমার মামাতো বোন)
আমি-কেডা আপনে? আর আমার নাম্বার পাইলেন কই?
রিয়া-দেখ নীল ফাজলামি বন্ধ কর, তাড়াতাড়ি আমাদের বাসায় আয়।
আমি-আমি জামু না।
রিয়া-তুই না এলে আমি তোরে কি যে করমু।
আমি-করগা।
রিয়া-সাদা কুত্তা তাড়াতাড়ি আয়
আমি-এই শীতে আমি জামু না। আর দুলাভাই বাড়ি আমি জামু না।
#নীল_চুড়ির_ভালোবাসা_পর্ব_০১
#nil_chorir_valobasha_part_01
রিয়া-তোর দুলাভাই বাড়ি নাই ঢাকা গেছে।
আমি-তাইলে এত যাইতে বলতেছিস কেন?
রিয়া-কেন শুনবি?
আমি-হুম।
রিয়া-বলবো কিন্তু প্রমিস কর শুনার পর আসবি।
আমি-আচ্ছা। এখন বল,,
রিয়া-আমার ননদ তোকে দেখার জন্য পাগল হয়ে গেছে।
আমি-কিহহহহহহ্ তোর ননদ আসলো কই থাইকা।
রিয়া-ছিল কিন্তু দেশের বাইরে।
আমি-ওকে আমি আসতাছি।
#নীল_চুড়ির_ভালোবাসা_পর্ব_০১
#nil_chorir_valobasha_part_01
রিয়া-মাইশাকে নিয়ে আসিস।
আমি-মাইশার পরীক্ষা চলে।
রিয়া-আচ্ছা তাইলে তুই আয়।
আমি-হুম। এখন রাখ,,,
অতঃপর লাইন কেটে দিয়ে ফ্রেশ হতে গেলাম....এখন আমার পরিচয়টা দেই, আমি মমিনুল ইসলাম নীল। বাবা-মার ১ম সন্তান। আমার ছোট একটি বোন আছে, যার নাম মাইশা। এই ৪জন মেম্বার নিয়ে আমাদের সুখি পরিবার।
আর কি কমু, কিছু কমু না কারণ আমার ফ্রেশ হওয়া শেষ।
তারপর রেডি হয়ে যেই বাইকে উঠতে যাবো.....হঠাৎ আম্মু,,,,
আম্মু-নীল
আমি-হুম আম্মু।
#নীল_চুড়ির_ভালোবাসা_পর্ব_০১
#nil_chorir_valobasha_part_01
আম্মু-আজ বাইক নিতে হবে না।
আমি-তাইলে যাবো কিভাবে?
আম্মু-বাসে যাবি।
আমি-কিহহহ্।
আম্মু-জ্বি।
আমি-বাইক থাকতে বাসে যাবো কেন?
আম্মু-যা বলছি তাই কর।
আমি-আচ্ছা
তারপর আম্মুর কাছে থেকে বিদায় নিয়ে রিক্সা করে বাস কাউন্টারে আসলাম। হঠাৎ আমার ফোনটা চিক্কুর দিলো... ফোনটা হাতে নিয়ে দেখি রিয়া কল দিছে,
আমি-কি হয়েছে বল?
রিয়া-বাস কাউন্টারে তুই।
আমি-হুম কিন্তু তুই জানলি কেমনে?
রিয়া-এত কথা না বইলা, হানিফ বাসে উঠ।
আমি-উঠলাম...
রিয়া-১১ নাম্বার সিটের মেয়েটার পাশে বসে ফোনটা ওর হাতে দে।
আমি-ওকে লাইনে থাক।
#নীল_চুড়ির_ভালোবাসা_পর্ব_০১
#nil_chorir_valobasha_part_01
আমি মেয়েটির পাশে বসে,
আমি-একটু শুনবেন।
মেয়ে-আমাকে বলছেন?
আমি..........(আমার দিকে ঘুরতেই তো এতগুলা ক্রাস খাইলাম। এটা মাইয়া নাকি আসমান থাইকা নামা পরী।ওরে মা, চোখ দেখি নীল রংয়ের)
মেয়ে-হ্যালো মিস্টার।
আমি-আমি তো গেছি গেছি গেছি রে..তোমার প্রেমে পরে।
মেয়ে-কি বললেন আপনি?
আমি-কিছু না।
মেয়ে-কিছু না হলেই ভালো আর আপনি এই সিটে বসলেন কেন?
আমি-খালি আছে তাই বসলাম।
ব্যাগ থেকে কি যেন বের করে,
মেয়ে-এই দেখুন এই সিটের টিকিট আমার কাছে।
আমি-আপু কথা বলবে?
মেয়ে-কোন আপু? আর কার আপু?
আমি-রিয়া আপু।
অতঃপর মেয়েটি ফোনটা নিয়ে বাসের বাইরে গেলো.,,,,
এইডা কি হইলো? কথা বলতে বাইরে গেলো কেন? আমার ফোন নিয়ে ভাগলো না তো আবার।
ওহ্,বাবা কলিজায় পানি ফিরে পেলাম। ওই তো মেয়েটি আসতেছে.....
মেয়ে-মিস্টার নীল..একটু চাপুন আমি আমার সিটে বসবো
আমি চুপচাপ সরে গেলাম....মেয়েটি ঢুকতে গিয়ে হুঁচোট খেয়ে আমার উপর পরলো.....
মেয়েটি কেন জানি মুচকি মুচকি হাসছে। আমি তো শুধু মুগ্ধ হয়ে দেখছি....কি মায়াবী চোখ। এত সুন্দর চোখ আমি কখনো কোনো মানুষের দেখি নাই...হঠাৎ আমার একটু ঝগড়া করার ভুত চাপলো।
#নীল_চুড়ির_ভালোবাসা_পর্ব_০১
#nil_chorir_valobasha_part_01
আমি-ওই তরমুজের বস্তা আমার উপর থাইকা উঠেন।
মেয়ে-ওই তরমুজের বস্তা কারে কইলেন?
আমি-যারে কইছি সে বুঝছে।
মেয়ে-বেশি করলে জড়াই ধরবো কিন্তু।
আমি-না বইন থাক আপনি উঠেন।
মেয়ে-আমি তোর কোন কালের বইন 😡
আমি-এই কালের
মেয়ে-বইন না বউ হমু বউ
আমি-কিহহহহ।
মেয়ে-কিছু না।
#nil_chorir_valobasha_part_01
চলবে.............
#নীল_চুড়ির_ভালোবাসা #মমিনুল_ইসলাম_নীল #Nil_Churir_Bhalobasa #Mominul_Islam_Nil
#banglastory143
onk sondor, next plz
ReplyDeleteNice story ☺️
ReplyDelete