প্রিন্সের প্রতিশোধ - পর্ব-০১ | Prince Revenge - Episode-01
গল্প | #প্রিন্সের_প্রতিশোধ
পর্ব | ০১
লেখক | রাকিব হাসান রাজ

আজ আমেরিকার FBI এর অডিটোরিয়াম এ প্রেস কন্ফারেন্স হবে।
আমেরিকার বিখ্যাত ০৪ জন ব্যবসায়ীদের খুন করা আসামি "প্রিন্স" আজ FBI এর এডকোয়াটারে আত্মসমর্পণ করেছে।
আশ্চর্য এর বিষয় হল যে প্রিন্স কে এতদিন ইন্টারপোল, ইন্টেলিজেন্স, FBI, সব বড় বড় গোয়েন্দা প্রতিষ্টান যাকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল সে আজ নিজে আত্মসমর্পন করেছে।
প্রিন্স আমেরিকার সনামধন্য ০৪ জন ব্যবসায়ী কে খুন করেছে। আজ সে আত্মসমর্পন করেছে। প্রিন্স নিজে এই প্রেস কনফারেন্স করার অনুরোধ জানিয়েছে। প্রিন্স নিজে প্রেসের কাছে সব প্রমাণ দিবে।
দুপর ০২টা বাজে,
FBI এর অডিটোরিয়াম এ সব সাংবাদিকরা বসে আছে। পূড়ো অডিটোরিয়াম পুলিশ আর কমান্ডোতে ঘেড়া। প্রিন্স আসার সময় হয়ে গেছে।
০২টা বেজে ২০ মিনিট এ প্রিন্স আসল। ওর হাতে হ্যান্ডকাফ আর চারপাশে ঘেড়া পুলিশ। প্রিন্স মাইকের কাছে গেল।
সব সাংবাদিকরা: আপনি এই খুনগুলো কেন করেছেন? আপনাকে দিয়ে কি কেউ এই খুনগুলো করিয়েছে? আপনি কি সিরিয়াল কিলার?
প্রিন্স : Plz be silent, আমি কথা বলার সময় কেউ কথা বলবেন না প্লিজ। আমি সব প্রশ্নের উত্তর দিব। দয়া করে আমাকে কথা বলার সু্যোগ দেওয়া হোক। আমি কোন সিরিয়াল কিলার নই। আমি এই খুন গুলো ব্যক্তিগত ভাবে করেছি। আমার মতে আমি কোনো খুন করেনি। আমি ন্যায় বিচার করেছি যা এই দেশের আদালত করতে পারতনা।
আমার কাহিনি আজ থেকে ২০ বছর আগের কথা যখন আমার বয়স ০৯ বছর ছিল। ফ্লাস ব্যাকে যাওয়া হক প্লিজ।
ফ্লাসব্যাক শুরু, আজ থেকে ২০ বছর আগের ঘটনা।
আমেরিকাতে শুধু একটি কোম্পানির সুনাম ছিল। সেটা হল "প্রি এন্ড অ" গ্রুপ অব কোম্পানি [প্রিন্স এন্ড অহনা]।
আমি প্রিন্স আমার বয়স তখন ০৯ বছর।
অহনা হলো আমার খেলার সঙ্গী। আর আমার বাবার বিজনেস পার্টনারের একমাত্র মেয়ে। আমার বাবা সেলিম খান আর অহনার বাবা রায়হান চৌধুরী বেস্ট ফ্রেন্ড আগে পরে তারা বিজনেস পার্টনার।
আমাদের ফ্যামিলি + বিজনেস ভালোই চলছিল। কিন্তু এই সুখ স্থায়ী রইলনা।
আমাদের ফ্যামিলি আর বিজনেস এ প্রবেশ করল ০৪জন ভিলেন। এ জে, জসিম, রক্তিম এবং ফিরোজ। এই ০৪জন আমাদের জীবনে কাল হয়ে নেমে আসে।
আমার দশম জন্মদিন এ তারা এসেছিল। আমার আর অহনার জন্মদিন একদিনে, অহনা আমার থেকে একবছর ছোট। আমার জন্মদিনে সবাই আনন্দ করছিল কিন্তু এই আনন্দ বেশিদূর রইল না। হঠাৎ কোথাথেকে একদল সন্ত্রাসী এসে গুলি বর্ষন করল।
আমার চোখের সামনে আমার আর অহনার বাবা মা মরে গেল। একটু পর পুরো বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিল। আমাকে নিয়ে আকবর চাচা পালিয়ে গেল।
আমি যাওয়ার আগে অহনাকে খুঁজলাম কিন্তু কোথাও খুজে পেলাম না। হয়ত অহনাও সবার মত আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।
আমি এখন আকবর চাচার বাড়িতে।
আকবর চাচা আমার আব্বু আর অহনার বাবার বিশ্বস্ত মানুষ।
আমি: কি থেকে কি হয়ে গেল আকবর চাচা? কারা এইভাবে আমার কাছ থেকে সবাইকে কেড়ে নিল? আমি তাদের কাউকে ছাড়বনা।
আকবর চাচা: তুই কিছুই করতে পারবিনা ওদের। ওরা অনেক বড় লোক।
আমি: তারমানে তুমি জান কে বা কারা আমাকে অনাথ করেছে?
আকবর চাচা: তারা আর কেউ না তারা হলো সেই ৪ জন মানুষ যারা তোর বাবার খুব কাছের মানুষ ছিল। তারা হলো এ জে, রক্তিম, জসিম আর ফিরোজ। ওই নরপশুরাই তোকে অনাথ করেছে।
আমি: কেন তারা এই কাজ করল আর তুমিই বা কিভাবে জানলে ওদের ব্যাপারে?
চলবে কি...........
[বি:দ্র: তেলেগু ছবির উপর ভিত্তি করে লেখা আগেই বলা হচ্ছে। তাই অযথা কপিবাজ বলবেন না। আমার লেখা এই প্রথম গল্প তাই ছোট করে দিলাম। ভুল ত্রুটি ক্ষমা করে দিয়েন। পরের পর্ব এর জন্য সাথে থাকবেন]
Nice story mama
ReplyDelete